masturbation choti অযাচিত by O-SORIRI

masturbation choti অযাচিত by O-SORIRI

. কলকাতা র অভিজাত একটি এলাকা হলো রাজারহাট ; সমস্ত অভিজাত পরিবারের বাস এই অঞ্চলে ; তেমনি একটি বহুতল আবাসনের একটি অভিজাত পরিবার হলো সেন পরিবার ,সোনার তোরি আবাসনের পঞ্চম তোলার পুরো ফ্লোর টি সেন পরিবারের ; সেন পরিবারের জনসংখ্যা ৩ জনমিস্টার রাজীব পাকড়াশী বয়স ৪২ ;সুন্দর সুপুরুষ রাজীব বাবু মেরিন অফিসার

মিসেস পায়েল পাকড়াশী বয়স ৩৮ ;পায়েল কলকাতা পুলিশ এ কর্মরতাপায়েল অসাধারণ সুন্দরী ,পানপাতার মতো সুন্দর মুখে উজ্জ্বল দুটো চোখ৩৬ মাপের অনন্য দুটো স্তন স্তনবৃন্তের চারপাশে নিখুঁত বাদামি বলয় ; মেদহীন পেটের চামড়া ; সুগভীর নাভি আর তার পর নিখুঁত করে ছাটা যোনিলোমের মাঝে স্বর্গীয় মধুভান্ড ;

নিয়মিত যোগ করে পায়েল তার বয়স কে এখনো ৩০ র কোঠায় আটকে রেখেছেএদের ছেলে অনুভব বয়স ১৭ ; অনুভব দেবে এবছরে ;অনুভব কেদেখতে সুপুরুষ নিয়মিত জিম করা চেহারা।পায়েল র অনুভব যখন একসাথে রাস্তায় হাঁটে লোকে মনে করে অনুভব এর প্রেমিকা বা গার্ল ফ্রেন্ড।

এই পায়েল যখন কলকাতা পুলিশ এর অফিস ইউনিফর্ম পরে তখন ওই চেপে বসে থাকা ইউনিফর্ম র মধ্যে থেকে তার শরীর র বিশেষ করে স্তন আর নিতম্ব যেন ফেটে বেরিয়ে আস্তে চায়। লালবাজার একারণে পায়েল প্রায় প্রতিদিনই সহকর্মী দের চোখের দৃষ্টি তে ধর্ষিত হয়। পায়েল নিজে খুব সংযত এবং সংসারী। কিন্তু একবার সেক্স চড়ে গেলে পায়েল কামপিয়াসী নারী হয়ে যায়। রাজীব বাবু কর্মসূত্রে ৬-৭ মাস বাড়ির বাইরে থাকে।

সেক্ষেত্রে পায়েল খুব একাকিত্বে ভোগে। নিজেকে শান্ত করার একমাত্র অস্ত্র ডিলডো। যেটা ও নিজেই অনলাইন থেকে কিনেছে বদ্ধ হয়ে। এই একাকিত্ব কাটানোর জন্য পায়েল সারাদিন কাজের মধ্যে ডুবে থাকে। তাই সহকর্মী দের ওইদৃষ্টি মানিয়ে নিয়েছে।

অনুভব একটু অন্যরকম। ও মা অন্তঃপ্রাণ। খুব ভালো পড়াশুনায় সাথে ও দুর্দান্ত গিটার বাজায়। এই অনুভব একটু ইন্ট্রোভার্ট টাইপ এর। এই পড়াশুনা গানবাজনার বাইরে ও ইন্টারনেট সার্ফ করে। বেশ কিছু পর্ন সাইট ও সাবস্ক্রিপশন নিয়ে রেখেছে।হটাৎ এভাবেই একদিন অনুভব এর প্রবেশ ঘটে চটি সাইট এ।

সেই থেকে অনুভব এর একটা আসক্তি জন্ম নেই। ওর সবথেকে প্রিয়চটি হয়ে ওঠে মা ছেলে এর অজাচার গল্প গুলো। ও দেখেছে অন্যচটিগুলোর থেকে মা ছেলে র অজাচার চটি গুলোতে ও অনেক বেশিউত্তেজিত হয়ে ওঠে।

এভাবেই একদিন সে ঢুকে পরে . সাইট এ। আর ওখানে“দেবশ্রী এক স্বর্গীয় অনুভূতি ” গল্প টা পরে ও অভিভূত হয়ে যায়।গল্প টি তে ও যত এগোতে থাকে ওর মধ্যে একটা অদ্ভুত পরিবর্তন আসে।অনুভবের মন ধীরে ধীরে অগ্রসর হতে থাকে এক অজানা অজাচার এর টানে।

অনুভব কল্পনা করতে শুরু করে নিজের মা কে পায়েল কে। অনুভব ভাবে সে হয়তো খুব সুপুরুষ। কোচিং জিম পাড়া সবজায়গা তে অনুভবদেখেছে মেয়ে রা নিজে আসে ওর সাথে বন্ধুত্ব করতে। ওর কোচিং এর হটকেক মোনালিসা যার জন্য বাকি ছেলেদের লাইন পরে যায়। সেই মোনালিসা ওকে প্রপোজ করেছিল। কিন্তু ইন্ট্রোভার্ট গোছের বলে অনুভবনিজেকে নিয়েই ব্যাস্ত থাকতে ভালোবাসতো।

তাই সেদিন অনুভব ভাবলো ও তো মেয়ে বলতে একজনকেই চেনে সে ওর মা। তার সাথেই তো তার সব কিছু। তাহলে যদি তাকে ভালোবাসতে হয় সে তার মা কেই ভরিয়া দেবে ভালোবাসা দিয়ে।অনুভব এর কম্পিউটার এ পায়েল র রাজীব র কিছু ফটো ছিল। অনুভব এদের মধ্যে একটা ফটো সিলেক্ট করলো যেটায় রাজীব মেরিন অফিসার এর ড্রেস এ র পায়েল টান করা চাপা কলকাতা পুলিশ এর ড্রেস এ।

অনুভব এডিট করে রাজীব এর ছবি টা বাদ দিলো আর তারপর প্রিন্ট দিলো।অনুভব মা এর ছবি টা হাতে নিয়ে দুবার চুমু খেলো। তারপর ট্রাউজার টা খুলে নিজের বাড়া টা হাতে নিয়ে রগড়াতে থাকলো।

আস্তে আস্তে বাড়া টা মা এর ছবিতে ঘষতে লাগলো। অনুভব এর বাড়াস্বমূর্তি ধারণ করলো। এবার অনুভব বাড়া টা খিচতে লাগলো আরবলতে লাগলো ” মা মা গো। তোমাকে আমি সর্গ সুখ দেব মা। তোমাকে আমি ভালোবাসি। এই দ্যাখো আমার এই বাড়া শুধু তোমার।

বাবা না থাকারকষ্ট আর একাকিত্ব সব তোমার আমি মুছে দেব মা। তুমি শুধু আমারহবে মা” বলতে বলতে থকথকে বীর্যরস দিয়ে মায়ের ছবি ভরিয়ে দিলো।